বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

সিলেটে ইমাম হত্যা! এবং আমাদের নিরবতা- মুফতী সিরাজী

সিলেট ওসমানী নগর ইমাম হত্যা ০৮/০৯/২০১৬ ইং ।

শহীদ মাওলানা আব্দুর রহমান 

পূর্বপদে খুন হওয়া ব্রাহ্মণবাড়ীয়া  হাফেজ মাসউদ

জামিয়া ইউনুছিয়ার ছাত্র শহীদ হাফেজ মাসউদ

শাহজালালের পুণ্যভূমি সিলেট শহরে ওসমানি নগর সাম্প্রতিক যে মর্মান্তিকভাবে একজন ইমাম হত্যা হয়েছেন,  জাতি কক্ষনো তা বরদাশত করবেনা। 

আলেম উলামাগণ আম্বিয়াগণের উত্তরসূরী এলমে নববীর ঝান্ডাবাহক,  মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান !
যাদেরকে নায়েবে নবী হিসেবে হাদীসে পরিচয় উন্মোচন করা হইয়াছে।
তারা কখনো সাধারণ ব্যক্তি হতে পারেনা।

নবীয়ে আলামীন (সাঃ) বলেন 

عَنْ أَبِى أُمَامَةَ الْبَاهِلِىِّ قَالَ ذُكِرَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاَنِ أَحَدُهُمَا عَابِدٌ وَالآخَرُ عَالِمٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَضْلُ الْعَالِمِ عَلَى الْعَابِدِ كَفَضْلِى عَلَى أَدْنَاكُمْ ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ وَمَلاَئِكَتَهُ وَأَهْلَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ حَتَّى النَّمْلَةَ فِى جُحْرِهَا وَحَتَّى الْحُوتَ لَيُصَلُّونَ عَلَى مُعَلِّمِ النَّاسِ الْخَيْرَ..

আবু উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ)-এর সামনে দু’জন লোকের কথা উল্লেখ করা হল। যাদের একজন আলেম অপরজন আবেদ। তখন তিনি বলেন, আলেমের মর্যাদা আবেদের উপর। যেমন আমার মর্যাদা তোমাদের সাধারণের উপর। তারপর রাসূল (ছাঃ) বললেন, নিশ্চয়ই তার প্রতি আল্লাহ রহমত করেন এবং তার ফেরেশতামন্ডলী, আসমান-যমীনের অধিবাসী, পিপিলিকা তার গর্তে থেকে এবং এমনকি মাছও কল্যাণের শিক্ষা দানকারীর জন্য দো‘আ করেন।

অতএব  একজন মুসলমান হিসাবে আলেমের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কোন মতেই মেনে নিতে পারেনা।

২০১৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জামিয়া ইউনুছিয়ার ছাত্র হাফেজ মাসউদকে আওয়ামী সন্ত্রাসী  ও পুলিশবাহিনী নৃশংস হত্যা করে ছিল এর প্রতিবাদে সারা বাংলাদেশ যেভাবে গর্জে উঠেছিল,  তাতে বদ্ধপরিকর ক্ষমতাসীন সরকারের মসনদকে ভূমিকম্প লিলা দেখিয়ে  যুগের ইতিহাসে একটি সেরা বিপ্লব হিসেবে লিপিবদ্ধ আছে । 
আমাদের এই দেশে আলেম উলামাগণ অনেক শান্ত ।

হাফেজ মাসউদের হত্যার বিচার  সমোজতায় না গিয়ে প্রতিটি রক্তবিন্দুর প্রতিশোধ তিলেতিলে সংগ্রমের মাধ্যমে নিয়ে নিতাম তবে আজ মাওলানা আব্দুর রহমান কে মসজিদে দুষ্কৃতকারীরা নৃশংসভাবে হত্যা করতে সাহস পেতনা।

আমরা মুরব্বীদের কথা শিরোধার্য করি,   ওনাদের কথা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে  মেনে নেওয়াই ক্বওমী ওয়ালাদের পরম আদর্শ।
আমাদের এই শিষ্টাচার দেখে বাতিল ও তাগুতের দুসরেরা ভাবছে এটাই বুঝি তাদের প্রধান কুপরিকল্পনার মওকা!

মাওলানা আব্দুর রহমান সাহেব ছিলে একজন নিষ্ঠাবান ক্বওমী কলম সৈনিক । তার লেখায় ছিল অত্যন্ত তীক্ষ্ণতা , বেদাত শিরিকের বিরুদ্বে তিনি ছিলে সদা সোচ্চার।
বিশেষ করে বেদাতিরা ওনার লেখাকে মেনে নেয়নি।

প্রশাসনের কানে কথাগুলো পৌঁছবে উপরের নির্দেশ আসিলে, অন্যথায় ধামাচাপার মধ্যে শেষ হবে আলেম হত্যার বিচার।

সুতরাং  প্রত্যহ যারযার অবস্থান থেকে ইমাম হত্যার প্রতিবাদে দুর্বার আন্দোলন মাধ্যমে জলজলা বাঁধাতে হবে।
 
ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার বিপ্লবী মুসলিম জননেতা আল্লামা শায়খ সাজিদুর রহমান সাহেব
মুরুব্বীদে দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে রাজপথে  অটল অবিচল থেকে বিচার আদায় হওয়া পর্যন্ত এস্তেকামতের সাথে লড়তে হবে।


কতিপয় মিডিয়া তো এক চোখা,  সরকারের পা চাটা গোলাম !  শুধু আমাদের বদনাম রটানো তাদের নিত্য অভ্যাস।
আমরা প্রতিটি যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে দেশ বিদেশ এই গুপ্তহত্যার প্রতিবাদ করে যাব।

আহ্বানেঃ- মুফতী বোরহান উদ্দিন সিরাজী,  সাবেক ছাত্র জমিয়া ইউনুছিয়া ব্রাহ্মণবাড়ীয়া।  


মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৫

জাহান্নামের কীট আসবে কেন এই বাংলাদেশে : জাতির প্রশ্ন

ব্যাশার ক্যাপশন কেন আসবে সোনার বাংলায়? 



বিশ্বনিন্দিত পর্নোস্টারকে বাংলার পবিত্র মাটিতে এখনই অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হোক! 

+><++><++><++><++><+

.

যখন বিশ্বব্যাপী চলছে পর্নোগ্রাফি বর্জনের প্রশংসনীয় জাগরণ, ঠিক তখনই বাংলাদেশে চলছে পর্নোস্টারদের বরণের ন্যক্কারজনক আয়োজন! সত্যিই অবাক হওয়ার মত একটি বিষয়। পর্নোগ্রাফি আসক্তদের পর্নো বিমুখ করতে বিভিন্ন দেশে চলছে নানা আয়োজন।

কারণ, পর্নোস্টারদের নানান ঢংয়ের অশ্লীল ভিডিও ফুটেজগুলো দেখে যুবসমাজ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। যে এর প্রতি আসক্ত হয়েছে, তার জীবনযৌবন দুটোই ধ্বংসন্মোখ। 

.

কিছুদিন আগে একটি অনলাইন নিউজের রিপোর্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম বর্তমানে নেট কিংবা ফেসবুকে বিচরণকারীদের মধ্যে শতকরা ৮০% ইউজার পর্নো ভিডিও বা ছবি তালাশে লিপ্ত থাকে। এটি কারো জন্য খুশির সংবাদ নয়।

.

বিভিন্ন দেশে পর্নোগ্রাফি ধারণ করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পর্ণোস্টারদের সতর্ক করা হচ্ছে। ইউরোপ, আমেরিকা বা ব্রিটেন ইত্যাদি কোনো দেশেই এখন আগের মত অবাধে পর্নোগ্রাফি ধারণ করতে পারছেনা। এটি প্রশংসনীয় একটি ভালো উদ্যোগ।

.

কিন্তু, অত্যন্ত দুঃখ এবং পরিতাপের বিষয় হচ্ছে এর সম্পূর্ণ বিপরীত গতীতে এগুচ্ছে বাংলাদেশ! যে দেশে শতকরা ৯০% মুসলমান সে দেশে নাকি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পতিতাদের অন্যতম নষ্টা বেহায়া, নির্লজ্জ, জাহান্নামের কীট 'সানি লিওন'কে ভাড়ায় আনা হচ্ছে! 

.

আশ্চর্য! সত্যিই আমি অবাক না হয়ে পারছিনা। সম্প্রতি ভারতীয় মুসলিম নামধারী এক জাহান্নামের কীট বাংলার পবিত্র মাটিকে অপবিত্র করে আমাদের অন্তরে যে ক্ষোভের জন্ম দিয়ে গেছে সে ক্ষোভ এখনো আমাদের অন্তরকে ক্ষতবিক্ষত করে তুলছে। এখনো ভুলতে পারছিনা আমরা সেই বেহায়াপনার কথা।

.

কিন্তু এ আবার কি শুনছি? এমনিতেই যুকব-যুবতীরা পর্নো আসক্ত হয়ে নীতি নৈতিকতা হারাচ্ছে। ইভটিজিং, ধর্ষণের মত জঘন্য, অভিশপ্ত ও ঘৃণিত অপরাধের সম্মুখীন হচ্ছে। এরই মধ্যে আবার বিশ্বনিন্দিত বেশ্যাদের বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানো আর জ্বলন্ত আগুনে জ্বালানি তৈল ঢেলে দেওয়া একই নয় কি?

.

ঢাকায় আসছে বিশ্ব পতিতাদের সর্দারণী সানি লিওন, স্টেজ শো দেখার সর্বনিম্ন টিকেট ১৫,০০০ টাকা!! সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা। সত্যি বলতে কি, এখন আমি নিজেও আমার প্রিয় মাতৃভূমিকে মুসলিম রাষ্ট্র বলে পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করি। 

.

বেহায়াপনা, বেলেল্লাপনা করতে চাইলে তোমাদের দেশেই করো, যে দেশ ধর্ষণের স্বর্গরাজ্য হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিত। আমরা আর কোন বেহায়া পতিতাকে বাংলার পবিত্র মাটিতে পা রাখতে দিতে চাইনা! এর বিরুদ্ধে এখনই দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলা সময়ের অপরিহার্য দাবী। 

.

এ দাবীকে সামনে রেখে সব জায়গায় সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এগিয়ে আসা দরকার। আপাতত অনলাইনে হলেও আমাদের কিছু একটা করা দরকার বলে আমি মনে করি। সুতরাং বন্ধুগণ আমি আশা করবো, কীভাবে কী করা যেতে পারে সবাই নিজ নিজ মতামত ব্যক্ত করবেন।





সংকলন; মাওঃ আলী আজম দা:বা:

শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০১৫

ইরানে নির্মাণ হল নকল কা'বাঘর

তেহরানে নকল কা'বাঘর নির্মাণ করল শীয়া :

লা'নত বর্ষিত হোক শিয়া কুফ্ফারদের উপর, যারা আসহাবে ফীলের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বর্তমান পৃথিবীতে।


:

: :
সুন্নি মুসলমানদের সঙ্গে বিরুধ সৃষ্টি করে ইরানের রাজধানী তেহরানে স্থাপন করলো "নতুন কা'বা ঘর"।
মক্কায় অবস্থিত কা'বাগৃহের সাথে হুবহু মিল রেখে সংশ্লিষ্ট সা'ফা-মারওয়া ও মিনা মোযদালেফা তথা হজ্জ্বের যাবতীয় মনজিলগুলি ইতিমধ্যেয় নির্মাণ করে পৃথিবীতে ২য় নজির দেখালো অভিশপ্ত শিয়ানে আলী।
;
যা হুজুর (সাঃ)-এর জন্মের পাঁচ দশক পূর্বে বাদশা নাজ্জাশীর ইয়ামানের গভর্নর "আব্রাহা" মুসলমান ধর্মবিদ্ধেষী করে ইয়েমেন রাজধানী সানআয় চাকচিক্যময় গীর্জা নির্মাণ করে ছিলো।
যাতে করে আরববাসীগণ সাদামাটার কা'বাঘর ছেড়ে সৌন্দর্যমণ্ডিত ঘরটি তাওয়াফ করে। বিস্তারিত সূরায়ে ফীলের তাফসীরে বর্ণিত দেখে নিয়েন

:
শীয়ারা সর্বদা বাড়াবাড়ি পছন্দ করে বিধায় খৃস্টানরা তাদেরকে অনেক পছন্দ করে, এবং খৃস্টানী পোষাক যেমন প্যান্ট, সার্ট, কোর্ট, টাই ও ট্রাইড ফিড,সর্ট জামা তাদের ইমাম থেকে শুরু করে একেবারে যুবতী মেয়েরাও পড়ে।
;

খৃস্টান আব্রাহা যেমন বিদ্ধেষী মনোভাব নিয়ে সানআয় নকল কা'বাঘর নির্মাণ করে ছিল তথাপি বর্তমান খৃস্টান অনুসারী শিয়ারা তারই ক্রমধারা বজায় রেখে তেরানে নকল কা'বাগৃহের কুপরিকল্পনা করল।
'
' আল্লাহ তায়ালা আমাদের মুসলমানীয়তকে সর্বদা ভেজাল মুক্ত রাখুন...


মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৪

নাস্তিক বিরুধী অতিথ-বর্তমান আন্দলন

নাস্তিক  বিরুধী পর্যালোচনা
(মুফতী সিরাজী )

বাংলাদেশ কোন এক সময় হিন্দুত্ববাদের স্বর্গরাজ্য ছিল
ইতিহাস যাকে প্রমান করে,
আরবি, আজমি মুজাদ্দিদগণ দাওয়াতের মেহনত করে আমাদের পূর্বপূরুষদের সিরাতে মুস্তাকিমেরর
অনুগামী বানালেন।

কিন্তু সভাব পরিবর্তন হয়নি অনেকের।
ইসলাম শুধু পাঁচটি স্তম্ভের মাঝে সিমা টেনে দিয়ে 
বাদ বাকি চাল-চলন সব স্যাকুলারি, হিন্দুদের আকরিয়ে ধরেছে
এটি কয়েক প্রকারে......
নামধারী মুসলমানরা এক দিকে একত্ববাদের বিশ্বাসী,
অপর দিকে মন্দির মাজারে উৎসবে নিয়মিত শরিক হচ্ছে তারা।

তারা আবার এটাও বিশ্বাস করে  আল্লাহ তায়ালা যেমন সব কিছু
করতে  সক্ষম তদ্রূপ  মাজারওয়ালা ও প্রতিমা তার চেয়ে কম নয়।

এক দিকে কাবাতে হজ্জ্ব করছে  অপর দিকে গঙ্গাজলে
সান করে নিজেকে অলরাউন্ডার বানায়,
আল্লাহ রাজি হু, আওর   শায়তা ভি নারাজ নাহু

আজও কোন হিন্দুদের দেখেনি মসজিদে যেতে ,
দেখোছি অনেক মুসলিম মন্দিরে যেতে।

দেখেনি কোন হিন্দুকে  গোরস্থানে  যেতে দেখেছি হাজারো
হিন্দুকে মাজারে যেতে।
দেখেনি অনেক নামধারী মুসলিমদের মসজিদে যেতে,
তবে তাদের নিয়মিত দেখা হয় মাজারেতে।

মোট কথা ভেজাল মুসলেমিনরা একত্ববাদের স্বিকার করে কিন্তু
একত্ববাদের বিশ্বাসী নয়।


যে মাথা শুধু এক মাবুদের সামনে ঝুকানোর হক রয়েছে
এ আবার কি করে গারুল্লাহকে ঝুকিয়ে দেয়?

আবার অনেকে উচ্চ শিক্ষা লাভের পর ধর্মকে  অস্বিকার করতে তারা বাধ্য

মানবতার পরিচয়টা  নিজের মধ্য  এমন ভাবে  মিশে দেয়
যা তার স্রষ্টাকে অস্বিকার করে নেয়।

বিভিন্ন জরিপ করে দেখা যায়   নাস্তিকতা  হিন্দুদের সমাজে বেশি,
অপর দিকে মুসলিম জেনারেল শিক্ষিতরা এর আংশিক ,
কারণ হিন্দুত্ববাদের  কাঠামো প্রশ্নবিদ্ধ।।


নাস্তিক মুক্ত বাংলাদেশ চাই

বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০১৪

নাস্তিকরা জারজ সন্তান

রাসূল (সা.)কে অবমাননাকারীরা জারজ
সন্তান


ওলিদ বিন মুগিরা প্রিয়
নবীকে অবমাননা করেছিল।
আল্লাহ রাব্বুল
আলামীন সূরা ক্বলমে আয়াত নাযিল
করে তার ৯টি দোষের বিবরণ দিয়েছেন।

সর্বশেষ দোষটি হল, তুই জারজ।
ওলিদ বিন
মুগিরা জানতে পারল।

সে সবগুলো কথা সত্য বলে স্বীকার
করে নিল কিন্তু সে যে জারজ
এটা স্বীকার করতে পারল না।
কারণ এ
বিষয়ে তার জানা ছিল না।

অতঃপর
সে চলে গেল তার মায়ের কাছে।

হাতে তলোয়ার নিয়ে মাকে গিয়ে বলল,
মুহাম্মদ কখনও মিথ্যা বলে না।
তার আল্লাহ
বলেছে, আমি নাকি জারজ সন্তান?

তুমি সঠিক উত্তর দাও, না হয় আমার তরবারির
আঘাতে তোমাকে দুভাগ করে ফেলবো।
তার মা উত্তর দিল, তোর বাবা ব্যবসার
কাজে বাহিরে গিয়েছিল।
তারপর
আমি বাড়ির চাকরের সাথে দৈহিক সম্পর্ক
করেছিলাম। সেই সন্তান হলি তুই। মুহাম্মাদ
যা বলেছে তা পুরোপুরি সত্য।

সুতরাং বুঝা গেল ইসলামবিরোধী, প্রিয়
নবীর অবমাননাকারী প্রত্যেক নাস্তিকই
একেকটা জারজ সন্তান।

তাই ইসলামের
পঞ্চম স্তম্ভ হজ নিয়ে ধৃষ্টতা প্রদর্শন ও
নবীজি (সা.) সম্পর্কে কটুক্তিকারী লতিফ
সিদ্দিকীও নিঃসন্দেহে জারজ।

কতিথ লা-মাযহাবী গায়রে মুকাল্লিদ প্রসঙ্গ, সিরাজী

লামাযহবি ভ্রান্ত আকিদা

কুকুরের ঘেউ ঘেউ সূর্যের আলো ম্লান করতে পারে না পূর্ণিমা চাঁদের স্নিগ্ধালোর সৌন্দর্যতা বুঝার ক্ষমতা কুকুরের নেই।

তাই পূর্ণিমা দেখা দিলেই সে ঘেউ ঘেউ করে চলে অবিরাম। চমৎকার নান্দনিক পরিবেশকে করে তোলে ভীতিকর।
নোংরা। অমানিশি রাতের কৃষ্ণাধার দূরিভূতকারী দিগন্ত প্রসারী, আলোবন্যাধারী দীবাকর পছন্দনীয় নয় চামচিকার। সূর্য উঠতেই তাই চোখ বন্ধ করে অভিশাপ দিয়ে যায় সূর্যের বিরুদ্ধে দেদার।

বাচ্চার কাছে ইটের টুকরোর মতই বে-দামী আর মূল্যহীন মনে হয় স্বর্ণের টুকরোকে। তাই বলে পূর্ণিমা চাঁদ, প্রদীপ্ত দীবাকর আর মহামূল্যবান স্বর্ণ যেমন মূল্যহীন ও সৌন্দর্যহীন বাতিল বস্তু বলে সাব্যস্ত হয় না, তেমনি আমাদের আকাবীর, আমাদের পিতৃতুল্য পূর্বসূরী বুযুর্গানে দ্বীন, যাদের নিরলস মেহনত, ইখলাসপূর্ণ প্রচেষ্টার বদৌলতে আল্লাহ তায়ালা আমাদের দ্বীনে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলেআশ্রয় নেবার তৌফিক দিয়েছেন, যাদের সদাজাগ্রত মেধার পরিস্ফুটিত দ্বীনী চেতনার আলোকেপেয়েছি আল্লাহ পাওয়ার পথ।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের প্রকৃত ব্যাখ্যা। সেই স্বর্ণপুরুষদের ইংরেজ সৃষ্ট কথিত আহলে হাদীস গোষ্ঠি সহ্য করতে না পারলেও তাদের নাম মুছবে না আমাদের হৃদয় থেকে কিয়ামত পর্যন্ত। তাদের নাম শ্রদ্ধার সাথে, ভক্তির সাথে, জান্নাতের উঁচু মাকাম পাওয়ার দুআর সাথে করে যাবে মুসলমান কিয়ামত পর্যন্ত ইনশাআল্লাহ। আমাদের আকাবীরদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করার জন্য ওরা বেছে নিয়েছে এমন এক জঘন্য পন্থা, যা খুবই স্পর্শকাতর।

যেই সকল শব্দ দুর্বোধ্য, সাধারণ মানুষের মোটা মেধার বাইরের বিষয়, সেই সকল বিষয়ের অবতারণা করে বিভ্রান্তিছড়াচ্ছে হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানবী রহঃ এর মত জগতবিখ্যাত বুযুর্গের বিরুদ্ধে। সন্দিহান করে তুলছে মানুষকে হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজেরে মক্কী রহঃএর মত সুবিদিত আল্লাহর অলী সম্পর্কে।

অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে দাওয়াত ও তাবলীগের প্রাণ পুরুষ মাওলানা ইলিয়াস রহঃ, জগতবিখ্যাত শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দের প্রতিষ্ঠাতা কাসেম নানুতবী রহঃ, কালের শ্রেষ্ঠ বুযুর্গ মাওলানা রশীদ আহমাদ গঙ্গুহী রহঃ ও শায়েখ জাকারিয়া রহঃ এর মত আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের।

শিরক ও বিদআতের বিরুদ্ধে যাদের সংগ্রাম ছিল আমরণ। মৃত্যু পর্যন্ত যেই শিরক ও বিদআতকে উপমহাদেশ থেকে বিদূরিত করতে যারা করে গেছেন ঘামঝরা মেহনত। ছড়িয়ে গেছেন আল্লাহ ও তার রাসূলের নিরেট ও খাঁটি বাণী।

সেইমহাপুরুষদের আজ ইংরেজদের জারজ সন্তান কথিত আহলে হাদীস গোষ্ঠি শিরকের দোষে দুষ্ট করছে, বিদআতেরপ্রবক্তা বলে চালাচ্ছে অপপ্রচার। যেই সকল দুর্বোধ্য বিষয় নিয়ে আমাদের আকাবীরদের বিরুদ্ধে ইংরেজ সৃষ্ট দলটি অপপ্রচার করছে তার মাঝে অন্যতম একটি বিষয় হল-“অহদাতুল ওজুদ”।

=================================

এটি তাসাউফ শাস্ত্রের একটি পরিভাষা। সাধারণ মানুষের বুঝ শক্তির বাইরে এর সঠিক মর্মার্থ।
 নির্বোধ, অশিক্ষিত, অগভীর জ্ঞানের অধিকারী কথিত আহলে হাদীস গ্রুপ এই শব্দটির মর্মার্থ উদ্ধার করতে অক্ষম হয়ে শিরক-বিদআত ধ্বংসকারী মহানব্যক্তিদের মুশরিক বানিয়ে দিয়েছে।

চালাচ্ছে অপপ্রচার নেট থেকে নিয়ে লেখনীর মাধ্যমে । তাই বাধ্য হয়ে এই বিষয়টি নিয়ে কলম ধরলাম। আশরাফ আলী থানবী রহঃ কেউ ওরা বেশি গালি দেয় এই বিষয়টি নিয়ে।
তাই আশরাফ আলী থানবী রহঃ এর লিখা গ্রন্থ থেকেই অহদাতুল ওজুদ বিষয়ে তার বিশ্বাস ও আক্বিদা বিধৃত করা হল। পাঠকের হাতে ছেড়েদিলাম এর বিচারের ভার। অহদাতুল ওজুদের যে ব্যাখ্যা হযরত আশরাফ আলী থানবী রহঃ করেছেন এর নাম যদিশিরক হয়, তাহলে আমাকে বলতে হবে একত্মবাদের বিশ্বাস কাকে বলে?
বুযুর্গানে দ্বীন ও ফক্বীহদের সমালোচনাকারী দল এই উম্মতের বর্ধিত বাতিল ফিরক্বার নাম

================================================================

♣বনী ইসরাঈলের মাঝে ছিল ৭২ ফিরক্বা।
 এর মাঝে ১টি ফিরক্বা ছিল জান্নাতী।
আর ৭১ টি ফিরক্বা ছিল জাহান্নামী।
আর এই উম্মতের মাঝে হবে ৭৩টি ফিরক্বা। এর মাঝে ১টি ফিরক্বা হবে জান্নাতী আর ৭২টি ফিরক্বা হলজাহান্নামী।

নবী কারীম সাঃ ইরশাদ করেছেন-পূর্বের উম্মত যাই করেছে এই উম্মতও তাই করবে নাফরমানীর দিক থেকে।
তথা ওরা যত পদ্ধতিতে নাফরমানী করেছে এই উম্মতও সেই পদ্ধতীতে নাফরমানী করবে।

সুতরাংআল্লাহ তায়ালার নাফরমানী করার ৭১টি পদ্ধতিওয়ালা বাতিল ফিরক্বা পূর্ব উম্মত থেকে গ্রহণ করবে এই উম্মত।
তথা ৭১টি বাতিল ফিরক্বার মত ও পথ পূর্ব উম্মতের মত এই উম্মতেও থাকবে।
আর জান্নাতী ছিল পূর্ব উম্মতের ৭২ ফিরক্বার মাঝে একটি ফিরক্বা।
সেটিও এই উম্মতে পূর্ব পদ্ধতি অনুযায়ী থাকবে। শুধু বাড়বে একটি বাতিল ফিরক্বা এই উম্মতে।

 যেই বাতিল ফিরক্বার কোন নজীর পূর্ব উম্মতের মাঝে ছিল না। সেই বর্ধিত বাতিল ফিরক্বাটি কারা?
আল্লামা কুরতুবী রহঃ তার প্রণীত তাফসীরে কুরতুবীতে লিখেন-

 . وقد قال بعض العلماء العارفين :هذه الفرقة التي زادت في فرق أمةمحمد صلى الله عليه وسلم هم قوم يعادون العلماء ويبغضون الفقهاء، ولم يكن ذلك قط في الأمم السالفة.( الجامع لأحكام القرآن المؤلف : أبو عبد الله محمد بن أحمد بن أبي بكر بن فرح الأنصاريالخزرجي شمس الدين القرطبي (المتوفى : 671)

যেই ফিরক্বাটি উম্মতে মুহাম্মদীদে বাড়বে তারা হল-ওলামাদের সাথে শত্রুতা করবে, আর ফুক্বাহাদের প্রতি রাখবে বিদ্বেষ। এই গ্রপটি পূর্ব উম্মতের মাঝে ছিল না।

{তাফসীরে কুরতুবী, তাফসীর সূরাতুল আনআম}

স্বীকৃত বুযুর্গদের যারা মুশরিকবলে, যারা বেদআত ও শিরকের বিরুদ্ধে আমরণ করে গেছেন জিহাদ সে সকল জগত বিখ্যাত আলেম ও ফক্বীহদের যারা শিরক ও বিদআতের দোষে দুষ্ট করতে চায় ওরা যে,
এই উম্মতের বাতিল ফিরক্বা একথা বুঝতে নিশ্চয় কষ্ট হবার কথায় নয়।

অহদাতুল ওজুদ কি শিরক?
না চূড়ান্ত পর্যায়ের একত্মবাদের বিশ্বাস?

আর বারাবারি করে নিজেদের  মুখোশ খুলে দিয়েননা

মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০১৪

মুক্তি চাই। সাধীন ভাই



  • আমরা স্বাধীন আমরা নবিন
  • ♥♥♥♥♥♥♥♥

  • ওরা আজও আছে
  • ওরা খুবলে খুবলে খাচ্ছে
  • আমাদের মানচিত্র
  • আমাদের গণতন্ত্রকে ওরা ধর্ষণ
  • করে ধর্ষিতার আর্তনাত শুনে
  • ঠোটে লোলুপ
  • হাসি ঝুলিয়ে হুংকার
  • দিতে দিতে বীর
  • বেশে চলে যায়।

  • আর আমরা তখন
  • শীলাকি জওয়ানির অর্ধ-নগ্ন
  • কোমর দুলানো নৃত্য দেখে
  • খুশীতে ডুগডুগি বাজায়।

  • ওরা আজও আসে মায়ের আচলের
  • নিচের
  • লুকিয়ে রাখা ধনকে কেড়ে
  • নিয়ে
  • মাকে নতুন কষ্ট উপহার দিতে।

  • ওরা আজও
  • আসে মুছে দিতে নববধূর হাত
  • থেকে মেহেদির রং,
  • আর
  • বোনকে তুলে নিয়ে মেতে
  • উঠতে আদিম খেলায়।

  • ওরা আজও
  • আসে সাদা কাপড়ে বাবার মুখ
  • ডেকে তার সন্তানকে
  • পিতৃশ্নেহ থেকে বঞ্চিত
  • করতে।

  • ওরা আজও আসে আধার রাতের
  • বিভীষিকা হয়ে
  • ঘুমন্ত অসহায় মানুষদের ঘুমটুকু
  • কেড়ে নিতে।

  • ওরা আসে একটি গ্রাম
  • পুড়িয়ে ছাইয়ের
  • সাথে অসহায়দের আর্তনাত
  • রেখে যেতে।
  • তবুও আমরা বুক
  • উঁচিয়ে বলি স্বাধীনতা
  • পেয়েছি।

  • বিশ্বের বুকে পতপত
  • করে উড়ে আমাদের স্বাধীন
  • দেশের পতাকা
  • তবে কোথায় সেই স্বাধীনতা?
  • স্বাধীনতা আজ বন্ধী ঐ মোড়ট
  • বাধা কাগজে,
  • সকালের হকারের হাতের
  • খবরের
  • কাগজে তাকে পাওয়া যাবেনা।

  • স্বাধীনতার ফল খায় আজ
  • কালোবাজারি, মুনাফাখোর আর
  • আছে যাদের বাহুবল,
  • প্রতিবাদ
  • করবে কে আমরাতো সব
  • কাপুরুষের দল।

  • স্বাধীনতা ভোগ
  • করে দুর্নীতিবাজ আর আছে যত
  • গডফাদার
  • স্বাধীনতা আসেনি জীবন
  • সাজাতে সাধারন জনতার।

  • স্বাধীন দেশের
  • পতাকা বুকে একে ঘুরে বেড়ায়
  • ঐ হায়েনারা
  • পুরনো অভ্যাস
  • মাথাচাড়া দিলেই
  • যারা আবারো মেতে উঠতে
  • চায় পাশবিকতায়।

  • আবারো ওরা আমাদের এই
  • স্বাধীন দেশের
  • মানচিত্রে ফুটিয়ে তুলে লাল
  • রক্তের আকা রেখা।

  • কিন্তু আমরা চুপ করে থাকি, যেন
  • এখনো আমরা কথা বলতে
  • শিখিনী।

  • আমাদের কাছে মুক্তিযোদ্ধের
  • ইতিহাস শুধুই একটি রূপকথা
  • ৪৭, ৫২, ৬৯, ৭১ এগুলো আমাদের
  • কাছে কেবলই
  • কয়েকটি সংখ্যা মাত্র
  • এর বাহিরে এদের অন্য কোন
  • পরিচয় এখন আমরা জানি না।

  • আজ আমরা নিজেদের আখের
  • গুছাতেই ব্যস্ত
  • দেশকে নিয়ে ভাবার মত সময়
  • আমাদের নেই।

  • স্বাধীনতার উত্তরাধিকার
  • হিসেবে আমরা স্বাধীনতাকে
  • তার যোগ্য সম্মান
  • দিতে পারিনি
  • হয়ত পারবোনা কোন দিন, কারণ
  • আমাদের বিবেক আজ
  • ঘুমিয়ে আছে
  • তবুও স্বপ্ন দেখি ঐসব
  • সংখ্যাগুলোর পাশে নতুন
  • আরেকটি সংখ্যা যুক্ত হবে।

  • যে সংখ্যা সাক্ষী দিবে
  • আমাদের প্রকৃত স্বাধীনতার,
  • যে সংখ্যা বলবে জয় হয়েছিল
  • মানবতার,
  • যে সংখ্যা ঘোষণা দিবে নতুন
  • জাগরণের,
  • যে সংখ্যা প্রকাশ
  • করবে অত্যাচারীদের বাহু
  • গুড়িয়ে দেওয়ার কথা।

  • স্বাধীনতার উত্তরাধিকার
  • হিসেবে আমি আজও সেই
  • সংখ্যাটির অপেক্ষায় আছি।

  • “গল্পগুলো ভর করে প্রজাপতির
  • ডানায়” কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত। 
  • দেশ আমার জন্ম ভূমি


জিবন মানেই যুদ্ধ

মানুষ পৃথিবীতে আসে যুদ্ধ করে ও যুদ্ধ
করবার জন্য, সবকিছুর সাথে !

বাবার লক্ষ শুক্রকীট
থেকে যুদ্ধকরে মাত্র একটি শুক্র মায়ের
ওভামে গিয়ে অভুলেশনের পরই আপনার
একটা কোষ তৈরি হয়েছিলে জাইগোট
নামে !

দেখুন শুরুটাই যুদ্ধের !
লক্ষ শুক্রকে পরাজীত
করে হাজারো অনুজীব , ব্যাক্টেরিয়া ,
ভাইরাস ! সবকিছুকে পরাজিত
করে আজকের আপনি , যার
অনুভুতি গুলো ফেবুর পাতায়
পেয়ে আমরাও অনুতাড়িত হই !
আমার কি নেই বা কি অপুর্নতা , সবকিছুর
চেয়ে আমি বেচেঁ আছি প্রতিক্ষন যুদ্ধ
করে এটাই আমার প্রাপ্তি ।

আপনার চারিদিকে তাকিয়ে দেখুন
কারো পা নেই , কারো কিডনি নেই ,
কারো চোখ নাই ,
কারো কোনো আপনজন নেই ,
কারো সম্পদ নেই , তবুও তারা যুদ্ধ
করছে বাচাঁর জন্য । কারন এই
বেচেঁ থাকাটাই মানব জীবনের
পুর্নতা তা যতদিন হোক !

আপনার জীবনকে শেষ
করেদিলে কারো কিচ্ছু হবেনা , সব
থাকবে বাট
আপনি থাকবেন না , সবাই একসময়
ভুলে যাবে আপনাকে ,তাই
নিজেকে ভালবাসতে শিখুন ঠিক
নিজের মত করে !


 তাতে যতটা যুদ্ধ করার
প্রয়োজন ততোটা করে !

 তবে সব কিছুতেই আল্লার উপর ভরসা রাখতে হবে  আমাদের সব কিছু আল্লাহ তায়ালার জন্যেই