সোমবার, ৬ মার্চ, ২০১৭

প্রধান বিচারালয়ে অমুসলিমদের আস্ফলন ভাঙবে হেফাজতে ইসলাম।

 গ্রীকদেবীর মূর্তি স্থাপন সামাল দিতে আলেমদের হয়রানি সহ্য করা হবেনা


আগামি ৯/৩/২০১৭ ইং সকাল ১০ ঘটিকায়
ক্যাপশন : ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া

সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সর্বোচ্চ বিচার বিভাগ সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গনে ভিনদেশী সাংস্কিতি গ্রীক মূর্তির ভাস্কর্য স্থাপনের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে দেশপ্রেমিক উলামা'মাশায়েখ এবং সর্বস্তরের মুসলিম জনতা

ক্যাপশন : নবনির্মিত গ্রীকদেবীর মূতি সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গন

গত এক মাস ধরে চলমান আন্দোলন, বিবৃতি , স্মারকলিপিতে সরকারসরকার ও আদালত কোন সায় দিচ্ছেনা। উল্টা হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে বৈরিত অবস্থান নিয়েছে সরকার।
</মামলার বিবরণ>

  • শাহবাগ থানার একটি নাশকতার মামলায়

হেফাজত ইসলামের নেতা মুফতি
ওয়াক্কাসসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি
পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

  • রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল

হোসেন মোল্লা মামলার অভিযোগপত্র
গ্রহণ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
করেন। আগামি ৬ এপ্রিল আদালত গ্রেপ্তার
সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের
জন্য দিন ধার্য করেছেন । গ্রেপ্তারি
পরোয়ানা জারি হওয়া উল্লেখ্যযোগ্য
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- 


۝ মুফতী ফয়জুল্লাহ, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী,
মাওলানা মো. রফিকুল ইসলাম খান,
অধ্যাপক আবদুল কাদের, মাওলানা মো.
ইশহাক, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মুফতি
ফখরুল ইসলাম।

☞ মামলার বিববরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩
সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে আসামিরা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হল ও
আনন্দ বাজারের মাঝখানের রাস্তায়
দেশীয় অস্ত্রসহ আগ্নেয়াস্ত্র এবং ককটেল
বোমা সজ্জিত হয়ে গণজাগরণ মঞ্চ ও
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ভাঙচুরের উদ্দেশ্যে
আসতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।
ফলে আসামিরা সরকার ও পুলিশ সম্পর্কে
নানাবিধ উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে
অতর্কিতে পুলিশকে ইট-পাটকেল ও ককটেল
নিক্ষেপ করে। তারা কয়েকটি গাড়ি
ভাঙচুর করে এবং একটি লেগুনায় আগুন
ধরিয়ে দেয়। ওই ঘটনায় শাহবাগ থানার
এএসআই ছানোয়ার হোসেন মামলাটি
দায়ের করেন।

ক্যাপশন : ব্রাহ্মণবাড়িয়াউলামা সম্মেলনে আন্দোলনের রূপরেখা

আগামি ৯/৩/২০১৭ সকাল ১০ ঘটিকায়টেংকের পাড় থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণহয়ে বিক্ষোভমিছিলটি কাউতুলি চত্বরে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে।

ক্যাপশন : কাউতুলি মোড়


আমাদের জামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার সাথে এক্টিভ থাকুন। 

সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

আমাজন জঙ্গলে রহস্যময় ঘটনা নিয়ে দুনিয়া জুড়ে আলোড়ন - মুফতী সিরাজী

 সাম্প্রতিক দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত আমাজন জঙ্গলে তাবলীগ জামাতের লোমহর্ষ কারগুজারী  ❕

নওমুসলিম আমাজন সম্প্রদায়

🇺🇸 
আমাজন অধিবাসীদের ব্যাপারে কম বেশ অনেকেরই জানা আছে কল্পকাহিনী, প্রবন্ধ এবং রূপ কথার গল্প।
দক্ষিণ আমেরিকার ৭০ লক্ষ্য বর্গকিলোমিটার জলীয় ও স্থলীয় সীমা নিয়ে আমাজন জঙ্গল অবস্থিত।
এর মূল বনাংশ ৫০ লক্ষ্য বর্গকিলোমিটার আদ্র আবহাওয়া বহমান।

নানান প্রজাতির পশুপাখি সমৃদ্ধ ঘেরা সবুজ প্রাকৃতিক আমাজন জঙ্গল
জঙ্গল
আমাজন
লাথিন আমেরিকার প্রায় নয়টি দেশ জুড়ে অবস্থিত এই জঙ্গলটি। এর মধ্যে যেমন আছে প্রাকৃতিক সুন্দর্যের অপরূপ তেমনি ভয়ঙ্কর সব প্রাণী।
জঙ্গলি অধিবাসীদের অনেকেই Portuguese ভাষায় কথা বলে, বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গহীন জঙ্গলের অধিবাসীরা কোন ধরনের ভাষা ব্যবহার করে তা জানা নেই।
দাওয়তী দল সাগর পথে 

೦➽➣ কিছু বৈচিত্রময় ছবি গুগল থেকে ভয়ঙ্কর, রূপমোহ, অশালীন কিছু ছবি দেখতে পারেন।
নৌ পথে আমাজন জঙ্গলের ভেতর

 মূল কারগুজারীতে এবার আসি...ইউরোপের একটি তাবলীগি জামাত লাথিন আমেরিকায় দাওয়াতের কার্যক্রমে আসার পর কিছু লোমহর্ষ ঘটনা।


🚤 আমার ১ম পোস্টটি পড়ুন ১ম পর্ব আমাজন জঙ্গলে তাবলীগের কারগুজারী দেখুন।

দ্বীনের দাঈগণ আমাজনের পথে

  • বীরত্তের সাথে আসছে এখানে.. সুবহে সাদিকের সুভ্রূ আভা উদয় হওয়ার পূর্বেই কিছু রক্ত খেকো কৃষ্ণ  নাঙ্গা মানব ঘুমন্ত জমাতটির চারিদিক ঘিরে ফেলে।
জমাতের আমীর সহ ১১ জন সাথী চোখ মেলে ভয়াল দৃশ্য দেখে একটু বিচলিত হলেননা।
অথচ বনমানুষগুলোর হাতে ক্ষুরধার মরণাস্র। তাবু থেকে বাধ্য করা হয় জমাতটিকে বনসর্দারের নিকট যেতে।  আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল দিয়ে সেখানে পৌঁছে দেখে এলাহী কাণ্ড... লোকগুলির শরীর থেকে বেশ্রী দুর্গন্ধ শুকলেই বমি হওয়ার মত।
ধীরেধীরে কৌশলে সহচর সহ আমীর এই জনগোষ্ঠীর সর্দারের খুব নিকটে চলে যায় ।
দাওয়াতী দলটির বেশভূষা দেখে জঙলি লোকগুলো কোন অসদাচরণ করেনি....
লতাপাতা দ্বারা আবৃত্ত একটি কুঁড়েঘরে তাঁদেরকে আটকে রাখে।

এক সাথে এত্ত মানুষ করায়ত্ত করতে পেরে জঙলি মানুষগুলো আনন্দচিত্তে জড়ো হয়ে লাফিয়ে তাদের ভাষাভাষায় কীর্তন করছে।
ফজরে সময় হলো...  আলোর পরশে পূর্ব দিগন্ত উজ্জ্বল রূপ নিয়েছে।
আমীরের পরামর্শ মোতাবেক তায়াম্মুম করে ফজরের সালাতে দণ্ডায়মান হন এক সাথে ১১ জন আল্লাহর রাস্তার মেহমান।


শুভ প্রভাত
তাদের সুললিত কণ্ঠের বিমুগ্ধ কোরআন তিলায়াত শোনে চতুর্দিক থেকে পাহাড়ি জঙলি মানুষ জড়ো হয়ে মন্ত্রমুগ্ধেরর মত শোনে ছিল। 
নামাজ শেষ করে সুরায়ে ইয়াছিন, সুরায়ে হাশরের শেষাংশ, এবং আয়াতুল কুরসি পাঠ করেন সকলেই।

এই মধুমিশ্রিত তেলাওয়াত শোনে এবং নামাজের দৃশ্য দেখে জঙলি মানুষদের অন্তরে স্রষ্টাতত্ত্ব বোধ জেগেছে, ১১ জন সাথীকে সসম্মানে উঁচু স্থানে বসিয়ে এই জঙলি সসম্প্রদায়ের সর্দার নিজের গলার মালা খুলে আমীরের গলেতে পড়িয়ে দিয়ে সকল পাহাড়ি, জঙলি অধিবাসী সহ সর্দার মস্তক অবনত করে  তাদের প্রতি।
সাথীরা লোকদের ইশারা করে মাথা উঠাতে, এবং ইংগিত দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন এই মাথা নিছক আসমানওয়ালার নিকট অবনত করা যায়।

ইশারা ইংগিতের দারা তাদেরকে বুঝিয়ে দিলেন তোমরা সকলে গোসল করো এবং কিছু লতাপাতা দিয়ে তোমাদের দেহকে আচ্ছাদিত করো।  পাহাড়ি জঙলি মানুষদেরকে মহা সত্যের দিক ইসলামের পথে আহ্বান করলেন দ্বীনের দাঈগণ ।
এখানে ফলমূল ও কিছু শুকনো খাবার খেয়ে বেশ কয় দিন তাদেরকে সামান্য ভাষা এবং কোরআনের তালীম দিয়ে আল্লাহর সত্তার পরিচয় করে দিলেন তাবলীগী দলটি। 
যাবার সময় তাবু থেকে কিছু অন্তঃঅঙ্গ ঢাকার মতো কাপড় পড়িয়ে আধুনিক কিছু সামগ্রী তাদের হাতে বুঝিয়ে দিয়ে আবারো দুর্গম গিরিপথ বেয়ে লোকালয়ে এসে পৌঁছেন।  দ্বীনের দাঈ জমাতটি।


___________________________

আমাজন জঙ্গলে ক্যামেরায় ধারণকৃত ইউটিউব ভিডিও 

আমাকে ফেসবুকে পেতে mufti siraji এড্ড করুন। 

সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৬

খলিফা ওমরের নাঙ্গা তলোয়ার 'মুফতী ফজলুল হক্ব আমিনী'

১২/১২/১২ ইং,  ওফাতঃ- মুফতী ফজলুল হক্ব আমিনী (রাহঃ)

স্মৃতির পাতায় মুফতী আমিনী (রাহঃ) রবে চির অম্লান।

 ঘুমের গভীরে স্বপ্নঘোর আত্মা তখন বিরাজমান,  দিনের কাল্পনিকতা হাঁসি ও কান্নার রকমারি খোয়াব দু'চোখে। 
এমন সময় আচম্কা হঠাৎ ফোনটা বেজে উঠলো,  ঘুমে পরেছে চরম বেঘাত। ডান বাহুর ধারে মোটো ফোনটি রিসিব করলাম,  সাথে সাথে ভেসে এলো কান্নারোলের ধ্বনি। তখনো ঘুমের ঘোর কাটেনি।
☎ ওপাস থেকে কান্নার রোদনে ভেঙ্গে পরা ভাইটি ঠিকমতো কথাই বলতে পারছেনা।

☏ অভয় দিয়ে বল্লাম কে তুমি কাঁদছো কেন?
♠ ভাই আমি হাফেজ সোহাইল ;
এতক্ষণে আমার পূর্ণ সচেতন বোধ হল।
> জিজ্ঞেস করলাম তুমি কাঁদছো কেন?
ভাবছি বাড়িতে বোধহয় কোন বিপদাপদ (?)
>ভাঙ্গা ভাঙ্গা কণ্ঠে কান্নাস্বরে বল ভাই "মুফতী আমিনী" আর নেই।

انا للّهِ وانّا اليْه راجِعُون

♕ এই সংবাদের জন্য মোটেও আমি প্রস্তুত ছিলামনা।
আমি অনুভব করলাম জেন দেহে মৃদু কম্পন ও ব্যাথার শিহরণ বয়ে যাচ্ছে।
ফোনটা কেটে দিলাম দুঃস্বপ্ন মনে হচ্ছে!

আমি ঠিক আছি তো?
✧ না'কি স্বপ্নের রাজ্য বেদনার সাতার কাটছি?
শরীরে হাত স্পর্শ করে নিশ্চিত হলাম আমি যা শোনেছি তা বাস্তব দুনিয়ায়।
চোখ বেয়ে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছে অবিরাম, শিরাধমনীতে স্পন্দন হৃদয় পর্যন্ত বেসামাল।

বাংলার গগনে  সত্যের ঝাণ্ডা উঠিয়ে ধরে বিশ্বমালিকের একত্মবাদের জয়জয়কার শ্লোগান তুলে ছিলেন যিনি তাকে আজ হারালাম?
মনের গহীনে তিব্র যন্ত্রণা 'যার হাতে কৌশলী জিহাদের বায়াত গ্রহণ করছি তিনি আজ নেই? 

নিজের অজান্তেই  বুক থাব্রে চিৎকার করে কেঁদে মনের স্বাদ মিটাতে চেষ্টা করছি তবো নাছোড় এই অবুঝ মন কিছুতেই ক্ষান্ত হচ্ছেনা।
নিজেকে নিজে সামলে নিতে পারছিনা।  » হস্তদ্বয় উঠিয়ে করুণার বিক্ষা মাংতেছি আল্লাহ যেন ওনাকে আমাদের কাছ থেকে আড়াল না করেন 

ইসলাম বিদ্বেষী চাটুকার মালাউনের দল বুঝি এখন থেকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে!  
জুলুমের কালোআধাঁর আবার চেয়ে যাবে বাংলার আকাশ!
মাঠি থুবড়ে বুকটা জমিনের সাথে আলিঙ্গন করছি বেদনা দূর হওয়ার তরে তবোও এই অনল হচ্ছে দ্বিগুণ।

ভাবছি 'ছোট ভাইটা বোধহয়  আমাকে কাঁদাতে বায়না ধরেছে, তাই শিউর হতে পরিচিতএকজন জামিয়া ইউনুছিয়ার ছাত্রের নাম্বারে ফোন দিলাম!
↩রিসিভ করতেই রোনাজারি কলরবে মোখরিত জামিয়া ইউনুছিয়ার ছাত্রাবাসগুলো।
কেহ কালামোল্লার খতমে অভ্যস্ত, অনেকে চিৎকার মাতমে কাপিয়ে তুলছে কক্ষ্য,
কেহ শান্ত হয়ে তাসবীহের দানা গুণছে অবিরাম।  
এভাবেই নির্ঘুম রাত পুহাল আমি সিরাজীর মতমত  অনেকের।


♝ মাঝ রাতেই ঢাক অভিমুখী ট্রেনে চড়ে লালবাগের পানে ছুটছিল কতক কোল হারা পাখি।
তবে কী রাজপথে আপোষহীন বীর সিপাহী মুফতী আমিনী (রাহঃ) একা ও অদ্বিতীয়ই থাকবেন।
মুফতী ফজলুল হক্ব আমিনী রাহঃ আমাদের মাঝে চির অমর সৈনিক ও মনীষী। 

মুফতীবোরহানউদ্দিন সিরাজী, স্নেহধন্য মুফতী আমিনী (রাহঃ)

মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০১৬

সাম্প্রতিক নাসিরনগর সাম্প্রদায়িক আন্দোলনের স্বরূপ?



বর্তমান বাংলাদেশী মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠরা তথ্য সন্ত্রাসের শিকার! 

----------------


মিডিয়া যত্তসব চাটুকারিতা আর সুবিধা জড়িয়ে আছে। এজন্য সব কিছু ধুম্রাজাল মনে হচ্ছে।
সাম্প্রতিক নাসির নগরে ঘটে যাওয়া দূর্ঘটানাকে ভিন্ন রঙ্গভঙ্গিতে উপস্থাপন করছে মিডিয়া কর্মীগণ যা মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক!
"ঘটনার সূত্রপাত যেখান থেকে হলো তা যদি মূলোৎঘাটন করি তবে সব কিছুই দিবালোকের ন্যায় পরিস্কার হয়ে যাবে,  বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল।
----------------
"রসরাজ দাস" নামক হিন্দু যুবকের আই'ডি থেকে মুসলমানের কিবলা 'পবিত্র ক্বাবা ঘর' যা প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ের স্পন্দন তাকে ফটোশপ করে জঘন্যতম শিবের উলঙ্গ ছবি কাবাগৃহের উপর স্থাপন করে ফেসবুকে আপলোড দিয়ে একটি প্রজ্জ্বলিত দাবানলের ইন্দন দিয়েছে সেই যুবক।
এতে প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ে হিংস্রাত্মক আক্রম করেছে।  বর্মানে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো অধিক প্রচারিত।
মূহুর্তে ছড়িয়ে পরে বিশ্বব্যাপী।  আলোচনা পর্যালোচনা ' তর্ক-বিতর্কের কুণ্ডলী হয়ে অতিসাধারণ মুসলমানের মধ্য জ্বলে উঠে ক্ষোভের আগুন, নাসিরনগরসহ আশপাশ এলাকা তখন বেসামাল অবস্থা।



----------------
ইসলামের প্রতি যাদের বিন্দু মাত্র দরদ রয়েছে তাদের জন্য এই বিতর্কিত ব্যাপারটি সত্যি মেনে নেওয়ার মত নয়।
তবে সচেতন বিবেকবান ও ইসলামের পূর্ণ জ্ঞান যাদের রয়েছে তারা এর নিবিড় প্রতিবাদ করে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাবে।
কিন্ত গ্রাম্য কিষাণ-মজুর এবং পাবলিকপ্যানেল শ্রেণির মানুষ ভিন্নরকম।
সাধারণত আঘাতের প্রতিঘাত করে নগদ অসুল করেই তারা ক্ষান্ত হয়।
--------------



৩০/১০/১৬ তারিখে: মাদ্রাসার আলেমগণ আলোচিত ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নাসিরনগর,মাধবপুর এলাকাসমূহে তীব্র প্রতিবাদ করেছেন শান্তিপূর্ণ মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে।
কেহই ভাংচুর করার উৎসাহ দিবে তো দূরের কথা ইঙ্গিতও দেননি।
-----------------
সার কথা... যা কিছু হয়েছে তা সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। আমরা সব সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিশ্বাসী।
তবে এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা দেশে পুনরাবৃত্তি  যাতে না হয় সে দিকে জনগণের যেমন সচেতনতা দরকার তেমনি সরকার ও প্রশাসনকে ধর্মীয় উস্কানিমূলক দুষকর্মের ততক্ষণাৎ তদন্তের মাধ্যমে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।


বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

সিলেটে ইমাম হত্যা! এবং আমাদের নিরবতা- মুফতী সিরাজী

সিলেট ওসমানী নগর ইমাম হত্যা ০৮/০৯/২০১৬ ইং ।

শহীদ মাওলানা আব্দুর রহমান 

পূর্বপদে খুন হওয়া ব্রাহ্মণবাড়ীয়া  হাফেজ মাসউদ

জামিয়া ইউনুছিয়ার ছাত্র শহীদ হাফেজ মাসউদ

শাহজালালের পুণ্যভূমি সিলেট শহরে ওসমানি নগর সাম্প্রতিক যে মর্মান্তিকভাবে একজন ইমাম হত্যা হয়েছেন,  জাতি কক্ষনো তা বরদাশত করবেনা। 

আলেম উলামাগণ আম্বিয়াগণের উত্তরসূরী এলমে নববীর ঝান্ডাবাহক,  মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান !
যাদেরকে নায়েবে নবী হিসেবে হাদীসে পরিচয় উন্মোচন করা হইয়াছে।
তারা কখনো সাধারণ ব্যক্তি হতে পারেনা।

নবীয়ে আলামীন (সাঃ) বলেন 

عَنْ أَبِى أُمَامَةَ الْبَاهِلِىِّ قَالَ ذُكِرَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاَنِ أَحَدُهُمَا عَابِدٌ وَالآخَرُ عَالِمٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَضْلُ الْعَالِمِ عَلَى الْعَابِدِ كَفَضْلِى عَلَى أَدْنَاكُمْ ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ وَمَلاَئِكَتَهُ وَأَهْلَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ حَتَّى النَّمْلَةَ فِى جُحْرِهَا وَحَتَّى الْحُوتَ لَيُصَلُّونَ عَلَى مُعَلِّمِ النَّاسِ الْخَيْرَ..

আবু উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ)-এর সামনে দু’জন লোকের কথা উল্লেখ করা হল। যাদের একজন আলেম অপরজন আবেদ। তখন তিনি বলেন, আলেমের মর্যাদা আবেদের উপর। যেমন আমার মর্যাদা তোমাদের সাধারণের উপর। তারপর রাসূল (ছাঃ) বললেন, নিশ্চয়ই তার প্রতি আল্লাহ রহমত করেন এবং তার ফেরেশতামন্ডলী, আসমান-যমীনের অধিবাসী, পিপিলিকা তার গর্তে থেকে এবং এমনকি মাছও কল্যাণের শিক্ষা দানকারীর জন্য দো‘আ করেন।

অতএব  একজন মুসলমান হিসাবে আলেমের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কোন মতেই মেনে নিতে পারেনা।

২০১৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জামিয়া ইউনুছিয়ার ছাত্র হাফেজ মাসউদকে আওয়ামী সন্ত্রাসী  ও পুলিশবাহিনী নৃশংস হত্যা করে ছিল এর প্রতিবাদে সারা বাংলাদেশ যেভাবে গর্জে উঠেছিল,  তাতে বদ্ধপরিকর ক্ষমতাসীন সরকারের মসনদকে ভূমিকম্প লিলা দেখিয়ে  যুগের ইতিহাসে একটি সেরা বিপ্লব হিসেবে লিপিবদ্ধ আছে । 
আমাদের এই দেশে আলেম উলামাগণ অনেক শান্ত ।

হাফেজ মাসউদের হত্যার বিচার  সমোজতায় না গিয়ে প্রতিটি রক্তবিন্দুর প্রতিশোধ তিলেতিলে সংগ্রমের মাধ্যমে নিয়ে নিতাম তবে আজ মাওলানা আব্দুর রহমান কে মসজিদে দুষ্কৃতকারীরা নৃশংসভাবে হত্যা করতে সাহস পেতনা।

আমরা মুরব্বীদের কথা শিরোধার্য করি,   ওনাদের কথা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে  মেনে নেওয়াই ক্বওমী ওয়ালাদের পরম আদর্শ।
আমাদের এই শিষ্টাচার দেখে বাতিল ও তাগুতের দুসরেরা ভাবছে এটাই বুঝি তাদের প্রধান কুপরিকল্পনার মওকা!

মাওলানা আব্দুর রহমান সাহেব ছিলে একজন নিষ্ঠাবান ক্বওমী কলম সৈনিক । তার লেখায় ছিল অত্যন্ত তীক্ষ্ণতা , বেদাত শিরিকের বিরুদ্বে তিনি ছিলে সদা সোচ্চার।
বিশেষ করে বেদাতিরা ওনার লেখাকে মেনে নেয়নি।

প্রশাসনের কানে কথাগুলো পৌঁছবে উপরের নির্দেশ আসিলে, অন্যথায় ধামাচাপার মধ্যে শেষ হবে আলেম হত্যার বিচার।

সুতরাং  প্রত্যহ যারযার অবস্থান থেকে ইমাম হত্যার প্রতিবাদে দুর্বার আন্দোলন মাধ্যমে জলজলা বাঁধাতে হবে।
 
ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার বিপ্লবী মুসলিম জননেতা আল্লামা শায়খ সাজিদুর রহমান সাহেব
মুরুব্বীদে দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে রাজপথে  অটল অবিচল থেকে বিচার আদায় হওয়া পর্যন্ত এস্তেকামতের সাথে লড়তে হবে।


কতিপয় মিডিয়া তো এক চোখা,  সরকারের পা চাটা গোলাম !  শুধু আমাদের বদনাম রটানো তাদের নিত্য অভ্যাস।
আমরা প্রতিটি যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে দেশ বিদেশ এই গুপ্তহত্যার প্রতিবাদ করে যাব।

আহ্বানেঃ- মুফতী বোরহান উদ্দিন সিরাজী,  সাবেক ছাত্র জমিয়া ইউনুছিয়া ব্রাহ্মণবাড়ীয়া।  


মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৫

জাহান্নামের কীট আসবে কেন এই বাংলাদেশে : জাতির প্রশ্ন

ব্যাশার ক্যাপশন কেন আসবে সোনার বাংলায়? 



বিশ্বনিন্দিত পর্নোস্টারকে বাংলার পবিত্র মাটিতে এখনই অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হোক! 

+><++><++><++><++><+

.

যখন বিশ্বব্যাপী চলছে পর্নোগ্রাফি বর্জনের প্রশংসনীয় জাগরণ, ঠিক তখনই বাংলাদেশে চলছে পর্নোস্টারদের বরণের ন্যক্কারজনক আয়োজন! সত্যিই অবাক হওয়ার মত একটি বিষয়। পর্নোগ্রাফি আসক্তদের পর্নো বিমুখ করতে বিভিন্ন দেশে চলছে নানা আয়োজন।

কারণ, পর্নোস্টারদের নানান ঢংয়ের অশ্লীল ভিডিও ফুটেজগুলো দেখে যুবসমাজ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। যে এর প্রতি আসক্ত হয়েছে, তার জীবনযৌবন দুটোই ধ্বংসন্মোখ। 

.

কিছুদিন আগে একটি অনলাইন নিউজের রিপোর্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম বর্তমানে নেট কিংবা ফেসবুকে বিচরণকারীদের মধ্যে শতকরা ৮০% ইউজার পর্নো ভিডিও বা ছবি তালাশে লিপ্ত থাকে। এটি কারো জন্য খুশির সংবাদ নয়।

.

বিভিন্ন দেশে পর্নোগ্রাফি ধারণ করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পর্ণোস্টারদের সতর্ক করা হচ্ছে। ইউরোপ, আমেরিকা বা ব্রিটেন ইত্যাদি কোনো দেশেই এখন আগের মত অবাধে পর্নোগ্রাফি ধারণ করতে পারছেনা। এটি প্রশংসনীয় একটি ভালো উদ্যোগ।

.

কিন্তু, অত্যন্ত দুঃখ এবং পরিতাপের বিষয় হচ্ছে এর সম্পূর্ণ বিপরীত গতীতে এগুচ্ছে বাংলাদেশ! যে দেশে শতকরা ৯০% মুসলমান সে দেশে নাকি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পতিতাদের অন্যতম নষ্টা বেহায়া, নির্লজ্জ, জাহান্নামের কীট 'সানি লিওন'কে ভাড়ায় আনা হচ্ছে! 

.

আশ্চর্য! সত্যিই আমি অবাক না হয়ে পারছিনা। সম্প্রতি ভারতীয় মুসলিম নামধারী এক জাহান্নামের কীট বাংলার পবিত্র মাটিকে অপবিত্র করে আমাদের অন্তরে যে ক্ষোভের জন্ম দিয়ে গেছে সে ক্ষোভ এখনো আমাদের অন্তরকে ক্ষতবিক্ষত করে তুলছে। এখনো ভুলতে পারছিনা আমরা সেই বেহায়াপনার কথা।

.

কিন্তু এ আবার কি শুনছি? এমনিতেই যুকব-যুবতীরা পর্নো আসক্ত হয়ে নীতি নৈতিকতা হারাচ্ছে। ইভটিজিং, ধর্ষণের মত জঘন্য, অভিশপ্ত ও ঘৃণিত অপরাধের সম্মুখীন হচ্ছে। এরই মধ্যে আবার বিশ্বনিন্দিত বেশ্যাদের বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানো আর জ্বলন্ত আগুনে জ্বালানি তৈল ঢেলে দেওয়া একই নয় কি?

.

ঢাকায় আসছে বিশ্ব পতিতাদের সর্দারণী সানি লিওন, স্টেজ শো দেখার সর্বনিম্ন টিকেট ১৫,০০০ টাকা!! সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা। সত্যি বলতে কি, এখন আমি নিজেও আমার প্রিয় মাতৃভূমিকে মুসলিম রাষ্ট্র বলে পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করি। 

.

বেহায়াপনা, বেলেল্লাপনা করতে চাইলে তোমাদের দেশেই করো, যে দেশ ধর্ষণের স্বর্গরাজ্য হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিত। আমরা আর কোন বেহায়া পতিতাকে বাংলার পবিত্র মাটিতে পা রাখতে দিতে চাইনা! এর বিরুদ্ধে এখনই দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলা সময়ের অপরিহার্য দাবী। 

.

এ দাবীকে সামনে রেখে সব জায়গায় সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এগিয়ে আসা দরকার। আপাতত অনলাইনে হলেও আমাদের কিছু একটা করা দরকার বলে আমি মনে করি। সুতরাং বন্ধুগণ আমি আশা করবো, কীভাবে কী করা যেতে পারে সবাই নিজ নিজ মতামত ব্যক্ত করবেন।





সংকলন; মাওঃ আলী আজম দা:বা:

শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০১৫

ইরানে নির্মাণ হল নকল কা'বাঘর

তেহরানে নকল কা'বাঘর নির্মাণ করল শীয়া :

লা'নত বর্ষিত হোক শিয়া কুফ্ফারদের উপর, যারা আসহাবে ফীলের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বর্তমান পৃথিবীতে।


:

: :
সুন্নি মুসলমানদের সঙ্গে বিরুধ সৃষ্টি করে ইরানের রাজধানী তেহরানে স্থাপন করলো "নতুন কা'বা ঘর"।
মক্কায় অবস্থিত কা'বাগৃহের সাথে হুবহু মিল রেখে সংশ্লিষ্ট সা'ফা-মারওয়া ও মিনা মোযদালেফা তথা হজ্জ্বের যাবতীয় মনজিলগুলি ইতিমধ্যেয় নির্মাণ করে পৃথিবীতে ২য় নজির দেখালো অভিশপ্ত শিয়ানে আলী।
;
যা হুজুর (সাঃ)-এর জন্মের পাঁচ দশক পূর্বে বাদশা নাজ্জাশীর ইয়ামানের গভর্নর "আব্রাহা" মুসলমান ধর্মবিদ্ধেষী করে ইয়েমেন রাজধানী সানআয় চাকচিক্যময় গীর্জা নির্মাণ করে ছিলো।
যাতে করে আরববাসীগণ সাদামাটার কা'বাঘর ছেড়ে সৌন্দর্যমণ্ডিত ঘরটি তাওয়াফ করে। বিস্তারিত সূরায়ে ফীলের তাফসীরে বর্ণিত দেখে নিয়েন

:
শীয়ারা সর্বদা বাড়াবাড়ি পছন্দ করে বিধায় খৃস্টানরা তাদেরকে অনেক পছন্দ করে, এবং খৃস্টানী পোষাক যেমন প্যান্ট, সার্ট, কোর্ট, টাই ও ট্রাইড ফিড,সর্ট জামা তাদের ইমাম থেকে শুরু করে একেবারে যুবতী মেয়েরাও পড়ে।
;

খৃস্টান আব্রাহা যেমন বিদ্ধেষী মনোভাব নিয়ে সানআয় নকল কা'বাঘর নির্মাণ করে ছিল তথাপি বর্তমান খৃস্টান অনুসারী শিয়ারা তারই ক্রমধারা বজায় রেখে তেরানে নকল কা'বাগৃহের কুপরিকল্পনা করল।
'
' আল্লাহ তায়ালা আমাদের মুসলমানীয়তকে সর্বদা ভেজাল মুক্ত রাখুন...


মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

রমণীর শান্তির নীড় পর্দা-হিজাবে | মুফতী সিরাজী

তাহলে শেষ পর্যন্ত খ্রিস্টান বেধর্মীরাও পর্দাকে বরণ করতে বাধ্য হল ?


শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৪

নাস্তিক বিরুধী অতিথ-বর্তমান আন্দলন

নাস্তিক  বিরুধী পর্যালোচনা
(মুফতী সিরাজী )

বাংলাদেশ কোন এক সময় হিন্দুত্ববাদের স্বর্গরাজ্য ছিল
ইতিহাস যাকে প্রমান করে,
আরবি, আজমি মুজাদ্দিদগণ দাওয়াতের মেহনত করে আমাদের পূর্বপূরুষদের সিরাতে মুস্তাকিমেরর
অনুগামী বানালেন।

কিন্তু সভাব পরিবর্তন হয়নি অনেকের।
ইসলাম শুধু পাঁচটি স্তম্ভের মাঝে সিমা টেনে দিয়ে 
বাদ বাকি চাল-চলন সব স্যাকুলারি, হিন্দুদের আকরিয়ে ধরেছে
এটি কয়েক প্রকারে......
নামধারী মুসলমানরা এক দিকে একত্ববাদের বিশ্বাসী,
অপর দিকে মন্দির মাজারে উৎসবে নিয়মিত শরিক হচ্ছে তারা।

তারা আবার এটাও বিশ্বাস করে  আল্লাহ তায়ালা যেমন সব কিছু
করতে  সক্ষম তদ্রূপ  মাজারওয়ালা ও প্রতিমা তার চেয়ে কম নয়।

এক দিকে কাবাতে হজ্জ্ব করছে  অপর দিকে গঙ্গাজলে
সান করে নিজেকে অলরাউন্ডার বানায়,
আল্লাহ রাজি হু, আওর   শায়তা ভি নারাজ নাহু

আজও কোন হিন্দুদের দেখেনি মসজিদে যেতে ,
দেখোছি অনেক মুসলিম মন্দিরে যেতে।

দেখেনি কোন হিন্দুকে  গোরস্থানে  যেতে দেখেছি হাজারো
হিন্দুকে মাজারে যেতে।
দেখেনি অনেক নামধারী মুসলিমদের মসজিদে যেতে,
তবে তাদের নিয়মিত দেখা হয় মাজারেতে।

মোট কথা ভেজাল মুসলেমিনরা একত্ববাদের স্বিকার করে কিন্তু
একত্ববাদের বিশ্বাসী নয়।


যে মাথা শুধু এক মাবুদের সামনে ঝুকানোর হক রয়েছে
এ আবার কি করে গারুল্লাহকে ঝুকিয়ে দেয়?

আবার অনেকে উচ্চ শিক্ষা লাভের পর ধর্মকে  অস্বিকার করতে তারা বাধ্য

মানবতার পরিচয়টা  নিজের মধ্য  এমন ভাবে  মিশে দেয়
যা তার স্রষ্টাকে অস্বিকার করে নেয়।

বিভিন্ন জরিপ করে দেখা যায়   নাস্তিকতা  হিন্দুদের সমাজে বেশি,
অপর দিকে মুসলিম জেনারেল শিক্ষিতরা এর আংশিক ,
কারণ হিন্দুত্ববাদের  কাঠামো প্রশ্নবিদ্ধ।।


নাস্তিক মুক্ত বাংলাদেশ চাই